Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সিটিজেন চার্টার

 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

পরিবেশ অধিদপ্তর

 

সিটিজেনস চার্টার

 

পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে ১৯৮৯ সালে পরিবেশ অধিদপ্তর সৃষ্টি করা হয়। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ এর মাধ্যমে পরিবেশ অধিদপ্তরকে পরিবেশ সুরক্ষা, পরিবেশ উন্নয়ন ও পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য ক্ষমতা, কর্তৃত্ব ও দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে।পরিবেশ অধিদপ্তর সদর কার্যালয় এবং ৬ (ছয়) টি বিভাগীয় কার্যালয় ও ২ ১টি জেলা কার্যালয়ের মাধ্যমে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে থাকে।

 

ভিশনঃ ২০২১ সালের মধ্যে দূষণমুক্ত বসবাসযোগ্য একটি সুস্থ, সুন্দর ও মডেল বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

 

মিশনঃ বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ, সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে -

·   পরিবেশগত বিধি-বিধানের সুষ্ঠু ও যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে পরিবেশ আইন অনুসরনে সংশ্লিষ্টসকলকে উদ্বুদ্ধকরণ;

·   পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নে জনগণের অংশগ্রহণ উৎসাহিতকরণ ।

 

    লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ

·   পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য সংরক্ষণ ও সার্বিক উন্নয়ন।

·   সকল প্রকার দূষণ ও অবক্ষয়মূলক কর্মকান্ড সনাক্তকরণ ও নিয়ন্ত্রণ।

·   সকল ক্ষেত্রে পরিবেশসম্মত উন্নয়ন নিশ্চিতকরণ।

·   সকল প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই, দীর্ঘমেয়াদী ও পরিবেশসম্মত ব্যবহারের নিশ্চয়তা বিধান।

·   পরিবেশ সংক্রান্তসকল আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক উদ্যোগের সাথে সক্রিয় অংশগ্রহণ।

·   জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ মোকাবেলায় অভিযোজন কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন।

 

     অঙ্গিকারঃ

·   দেশের সামগ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ এবং পরিবেশগত মান উন্নয়নের স্বার্থে পরিবেশ আইনের সুষ্ঠু ও যথাযথ প্রয়োগ করা;

·   নাগরিকগণের সহজ সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সদা সচেষ্ট থাকা;

·   নাগরিক প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেওয়া;

·   নাগরিকগণের প্রতি সততা, শুদ্ধতা এবং স্বচ্ছতার সাথে দায়িত্ব পালন করা;

·   আরোপিত দায়িত্ব পালনে বিভিন্ন নাগরিক গোষ্ঠীর সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করা;

·   নিজেদের কার্যক্রমকে সর্বদা মূল্যায়ন ও মনিটরিং করা;

·   সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে নাগরিকগণের প্রতি সর্বোচ্চ সেবা প্রদান করা;

·   সমস্তনাগরিকগণকে ধর্ম, বর্ণ, জাতি, জেন্ডার, প্রতিবন্ধি, বয়স, ইত্যাদি নির্বিশেষে সমমর্যাদা প্রদান করা;

 

পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যাবলীঃ

   পরিবেশ অধিদপ্তর নিয়মিতভাবে যে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করছে সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলোঃ

·         শিল্প প্রতিষ্ঠানের দূষণ জরীপ, দূষণকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান চিহ্নিতকরণসহ দূষণ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে উদ্বুদ্ধ/বাধ্য করা এবং প্রয়োজন অনুসারে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন এবং বিধি লঙ্ঘনকারী ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা ও পরিবেশ আদালতে মামলা দায়েরের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ;

·         নতুন স্থাপিতব্য বা বিদ্যমান শিল্প কারখানার/প্রকল্পের আবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষাপূর্বক পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদান;

·         সরকারী ও বেসরকারী সংস্থা ও ব্যক্তি পর্যায়ে গৃহিত উন্নয়ন কার্যক্রমের পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ (ইআইএ) প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদন এবং ইআইএ সম্পাদন করার বিষয়ে পরামর্শ প্রদান;

·         পরিবেশ দূষণ সংক্রান্তঅভিযোগ গ্রহণ এবং তা তদন্তেরমাধ্যমে নিষ্পত্তি করা, নির্বিচারে পাহাড় কর্তন রোধ, যানবাহন জরিপ এবং দূষণকারী

            যানবাহনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা;

·         বায়ু ও পানির গুণগত মান পরিবীক্ষণ, গবেষণাগারে বায়ু, পানি ও তরল বর্জ্যের নমুনা বিশ্লেষণ;

·         দেশের বিভিন্ন এলাকার নদী, পুকুর, টিউবওয়েল ও খাবার পানির গুনগতমান নির্ণয়ের জন্য নিয়মিত নমুনা সংগ্রহ, বিশ্লেষণ, ডাটা সংরক্ষণ ও প্রতিবেদন প্রেরণ;

·         পরিবেশ সংক্রান্তবিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কনভেনশন, চুক্তি ও প্রোটোকলের দেশীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাধ্যবাধকতা প্রতিপালনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;

·         জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব মোকাবেলায় জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন ।

·         দেশের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জীবনিরাপত্তার ক্ষেত্রে কার্যক্রম গ্রহণ;

·         বিষাক্ত এবং বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থের আমদানি, পরিবহন, ব্যবহার, ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণে কার্যক্রম গ্রহণ;

·         ওজোনস্তরক্ষয়কারী দ্রব্যসামগ্রী নিয়ন্ত্রণ;

·         পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় জনগণের অংশগ্রহণে টেকসই জীববৈচিত্র্য ব্যবস্থাপনায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ;

·         পরিবেশ বিষয়ে গণসচেতনতা সৃষ্টি এবং পরিবেশ বিষয়ক তথ্য সকলের কাছে সহজলভ্য করার লক্ষ্যে প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা এবং পরিবেশ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক দিবসসমূহ যথাযথ মর্যাদায় উদ্যাপন;

·         সময় সময়ে পরিবেশগত অবস্থানচিত্র প্রণয়ন (স্টেট অব এনভায়রনমেন্ট রিপোর্ট) ও বিতরণ;

·         পরিবেশ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় জনগণের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন সামাজিক/সাংস্কৃতিক/অর্থনৈতিক গোষ্ঠীর সাথে অংশীদারিত্বমূলক কার্যত্রম প্রতিষ্ঠা;

·         পরিবেশগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিভিন্ন প্রকল্প এবং গবেষণাকর্ম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন;

·         নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন শপিং ব্যাগ উৎপাদন ও বাজারজাতকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ;

·         সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে গৃহীত বিভিন্ন প্রকল্প/উদ্যোগ পর্যালোচনা ও মূল্যায়নপূর্বক পরিবেশগত মতামত প্রদান;

·         পরিবেশ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে সক্ষমতা তৈরীর লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, মতবিনিময় সভা, ইত্যাদি আয়োজন ;

·         দেশের প্রায় সকল মন্ত্রণালয় এবং তার অধীনস্থ দপ্তরসমূহসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন কমিটির সদস্য হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন।

 

সেবা প্রদানের পরিধি ও পদ্ধতিঃ

 

ক্রমিক

নং

সেবা প্রদানের পরিধি

করণীয়

সেবা প্রদানের প্রাথমিক কার্যত্রম

গ্রাহক বা

ভোক্তার

বিবরণ

১.

শিল্পদূষণ নিয়ন্ত্রণ

দূষণকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান চিহ্নিতকরণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণ আইন এবং বিধির আলোকে ব্যবস্থা গ্রহণ

মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শন/জরীপ পরিচালনা, উদ্বুদ্ধকরণ, নোটিশ প্রদান, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা অথবা পরিবেশ আদালতে মামলা দায়ের।

জনগণ

২.

পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদান

স্থাপিতব্য বা বিদ্যমান শিল্পপ্রতিষ্ঠান/প্রকল্পের আবেদনপত্র ও কারিগরী প্রতিবেদনসমূহ (আইইই, ইআইএ, ইএমপি ইত্যাদি) পর্যালোচনাসহ সরেজমিন পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষাপূর্বক সিদ্ধান্তগ্রহণ

আবেদনপত্রসহ কারিগরী প্রতিবেদনসমূহ (আইইই, ইআইএ, ইএমপি ইত্যাদি) গ্রহণ, পর্যালোচনা, প্রকল্প এলাকাসহ পারিপার্শ্বিক পরিবেশ পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্নকরণ

উদ্যোক্তা

৩.

পরিবেশগত সমীক্ষা

পরিচালনা এবং

পর্যালোচনা

শিল্পপ্রতিষ্ঠান/প্রকল্পের পরিবেশগত

প্রভাব নিরূপণ (ইআইএ)

প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদন

এবং ইআইএ সম্পন্নকরার বিষয়ে

পরামর্শ প্রদান; পরিবেশগত

দূর্ঘটনার ক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ।

সংশিস্নষ্ট ইআইএ প্রতিবেদন

গ্রহণ, পর্যালোচনা, প্রকল্প

এলাকাসহ পারিপার্শ্বিক পরিবেশ পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্নকরণ; পরিবেশগত দূর্ঘটনার ক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে সমীক্ষা পরিচালনা।

উদ্যোক্তা

এবং

জনগণ

৪.

পরিবেশ দূষণ সংক্রান্ত

অভিযোগ নিষ্পত্তি

পরিবেশ দূষণ সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ এবং তা তদন্তের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা

অভিযোগ/প্রতিকার প্রার্থনার আবেদনপত্র গ্রহণ, সরেজমিন পরিদর্শন, তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ।

জনগণ

৫.

পাহাড়ের প্রতিবেশ

ব্যবস্থা সংরক্ষণ

নির্বিচারে পাহাড় এবং গাছপালা কর্তন রোধ

সরেজমিন পরিদর্শন, তদন্তকার্যক্রম পরিচালনা ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ

জনগণ

৬.

যানবাহনজনিত দূষণ

নিয়ন্ত্রণ

যানবাহন জরিপ এবং দূষণকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা

রাস্তায়চলাচলরত যানবাহন পরীক্ষা ও দূষণকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ।

জনগণ

৭.

বায়ু ও পানির

গুণগতমান পরিবীক্ষণ

দেশের বিভিন্ন এলাকায় বায়ু এবং নদী, পুকুর, টিউবওয়েল ও খাবার পানির গুনগতমান নির্ণয়ের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ।

দেশের বিভিন্ন এলাকায় বায়ু এবং নদী, পুকুর, টিউবওয়েল ও খাবার পানির গুনগতমান নির্ণয়ের জন্য নমুনা সংগ্রহ, বিশ্লেষণ, ডেটা সংরক্ষণ ও প্রতিবেদন প্রকাশ।

জনগণ

৮.

পরিবেশ সংক্রান্ত বভিন্ন আঞ্চলিক ও

আন্তর্জাতিক কনভেনশন, চুক্তি ও

প্রোটোকলUNFCCC, CBD, CCD, Basel Convention,

Stockholm

Convention,

Kyoto Protocol,

Montreal

Protocol,

Cartagena

Protocol, ইত্যাদি) বাস্তবায়ন

পরিবেশ সংক্রান্তবিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কনভেনশন, চুক্তি ও প্রোটোকলের নিগোসিয়েশনে বাংলাদেশের স্বার্থ সমুন্নত রাখা এবং দেশীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশেরবাধ্যবাধকতা পরিপূরণের জন্যপ্রয়োজনীয়কার্যক্রমগ্রহণ

কনভেনশন/প্রোটোকলের অধীনে গৃহীত সিদ্ধান্তের আলোকে বাংলাদেশের অবস্থানপত্র প্রণয়ন এবং মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে সংশ্লিষ্টআন্তর্জাতিক সংস্থায় তা প্রেরণ; এবং এতদসংক্রান্তজাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন । এছাড়াও

কনভেনশন/প্রোটোকলের বিভিন্ন বিষয়ে জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সভা, কর্মশালা ইত্যাদি আয়োজন করা এবং ক্ষেত্রবিশেষে বিদেশে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে নিগোসিয়েশনে ভূমিকা রাখা।

সংশ্লিষ্ট

মন্ত্রণালয়/দপ্তর/

সংস্থা

৯.

জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক কার্যক্রম

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব মোকাবেলায় জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কার্যক্রমগ্রহণ ও বাস্তবায়ন

জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে দেশীয় প্রেক্ষাপটে গবেষণা এবং উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন,জলবায়ূ পরিবর্তনজনিত ঝুঁকির বিষয়ে সকল পর্যায়ের জনগণের মাঝে সচেতনতা তৈরীর কার্যক্রম বাস্তবায়ন ইত্যাদি।

জনগণ।

১০.

জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ

দেশের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং

জীবনিরাপত্তার ক্ষেত্রে কার্যক্রম গ্রহণ

পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় জনগণের অংশগ্রহণে জীববৈচিত্র্য

সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম জোরদার করা,জীববৈচিত্র্য সনদের আওতায় কর্মকৌশল তৈরী, বাস্তবায়ন;জীবনিরাপত্তার ক্ষেত্রে কর্মকাঠামো গঠন ও বাসত্মবায়ন ।

জনগণ

১১.

বিষাক্ত এবং বিপজ্জনক

রাসায়নিক পদার্থের

নিরাপদ ব্যবহার

সংক্রান্ত কার্যাবলী

বিষাক্ত এবং বিপজ্জনক রাসায়নিক

পদার্থের আমদানি, পরিবহন,

ব্যবহার, ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণে কার্যক্রম

গ্রহণ

বিষাক্ত এবং বিপজ্জনক

রাসায়নিক পদার্থের আন্তদেশীয় চলাচল ও মজুদ বিষয়ে সমীক্ষা পরিচালনা করা; এগুলোর নিরাপদ অপসারণ বা ধ্বংসের

লক্ষ্যে কর্মকৌশল প্রণয়ন এবং বাসত্মবায়ন

জনগণ

১২.

ওজোনস্তর সুরক্ষা

কার্যক্রম

ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্যসামগ্রী (ওডিএস) নিয়ন্ত্রণে কর্মসূচি  বাসত্মবায়ন

 

ওডিএস-এর আমদানি, ব্যবহার, মজুদ এবং নিঃসরণ বিষয়ে সমীক্ষার ভিত্তিতে কর্মকৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা।

জনগণ

১৩.

পরিবেশগত সচেতনতা বৃদ্ধি

পরিবেশ বিষয়ে গণসচেতনতা সৃষ্টি এবং পরিবেশ বিষয়ক তথ্য সকলের কাছে সহজলভ্য করার লক্ষ্যে প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা এবং পরিবেশ সংক্রান্তগুরুত্বপূর্ণ

আন্তর্জাতিক দিবসসমূহ যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন

সচেতনতার উপকরণ হিসেবে পরিবেশ সংক্রান্তপোস্টার, লিফলেট, বুকলেট, স্মরণিকা টিভি স্পট, ডকুমেন্টারী, গণবিজ্ঞপ্তি, ইত্যাদি তৈরী ও

প্রচার। এছাড়া জাতীয় পর্যায়ে চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা, র‌্যালী, সেমিনার/মুক্ত আলোচনার আয়োজন এবং শিক্ষা পাঠ্যক্রমে পরিবেশ ব্যবস্থাপনা বিষয়টি অন্তর্ভূক্তকরণ, ইত্যাদি কার্যক্রমগ্রহণ।

জনগণ

১৪.

পরিবেশ সংরক্ষণ ও

ব্যবস্থাপনায় নগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ।

পরিবেশ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় জনগণের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন

সামাজিক/সাংস্কৃতিক/অর্থনৈতিকগোষ্ঠীর সাথে অংশীদারিত্বমূলক কার্যত্রম গ্রহণ;

বিভিন্ন সামাজিক/সাংস্কৃতিক/অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবর্গের সাথে সভার মাধ্যমে তাঁদেরকে পরিবেশ বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পরিবেশগত উন্নয়নের লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক-এর ভিত্তি অংশীদারিত্বমূলক কার্যত্রম গ্রহণ;

জনগণ

 

 

বিস্তারিত তথ্যের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট www.doe-bd.org ভিজিট করুন।